সাইবার হামলায় প্রস্তুত ছিল না সিসা। যুক্তরাষ্ট্রের সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা সিসা (সাইসা) স্বীকার করেছে, গত মে মাসে একটি সাইবার নিরাপত্তা ঘটনার সময় তাদের কাছে আগে থেকে প্রস্তুত কোনো প্রতিক্রিয়া পরিকল্পনা ছিল না। ফলে ঘটনার শুরুতেই তাৎক্ষণিকভাবে নতুন নির্দেশিকা তৈরি করতে হয়েছিল।

সংস্থাটি জানিয়েছে, এক অনুসন্ধানী সাংবাদিক তাদের জানিয়েছিলেন যে, সিসার একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী ভুলবশত যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি বিভিন্ন ব্যবস্থায় প্রবেশের সংবেদনশীল নিরাপত্তা কী ও পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য উন্মুক্তভাবে প্রকাশ করে ফেলেছেন।
ঘটনার পর প্রকাশিত পর্যালোচনা প্রতিবেদনে সিসা বলেছে, ঘটনার প্রাথমিক পর্যায়েই তাদের কর্মীদের নতুন কার্যপদ্ধতি তৈরি করতে সময় ব্যয় করতে হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় সম্ভাব্য সব ধরনের ঘটনার জন্য আগেভাগেই প্রস্তুত পরিকল্পনা থাকা জরুরি বলেও উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।
তবে এ কারণে তাদের প্রতিক্রিয়ায় ঠিক কতটা বিলম্ব হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেয়নি সিসা।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান গিটগার্ডিয়ানের এক গবেষক উন্মুক্ত গিটহাব সংগ্রহশালায় বিপুল পরিমাণ পাসওয়ার্ড ও নিরাপত্তা তথ্য খুঁজে পান। তিনি প্রথমে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করলেও কোনো সাড়া পাননি। পরে অনুসন্ধানী সাংবাদিক ব্রায়ান ক্রেবস সিসাকে বিষয়টি জানালে সংস্থাটি দ্রুত তথ্যগুলো সরিয়ে ফেলে এবং প্রকাশিত সব নিরাপত্তা তথ্য বাতিল করে নতুন তথ্য জারি করে।

সিসার দাবি, এ ঘটনায় কোনো সরকারি তথ্য বা কার্যক্রমের তথ্য ফাঁস হয়নি। পাশাপাশি নিরাপত্তা গবেষকদের কাছ থেকে দ্রুত তথ্য গ্রহণের জন্য তাদের যোগাযোগব্যবস্থাও আরও উন্নত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে সিসায় স্থায়ী পরিচালক নেই। একই সময়ে কর্মী ছাঁটাই, বাধ্যতামূলক ছুটি ও জনবল কমানোর কারণে সংস্থাটির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কর্মীসংখ্যা কমে গেছে।
