প্রযুক্তি সংবাদ

মাইক্রোসফট অফিসের বিকল্প কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মঞ্চ আনছে নিও

Rate this post

মাইক্রোসফট অফিসের বিকল্প কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মঞ্চ আনছে নিও। ভারতের ধারাবাহিক প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ভাবিন তুরাখিয়া নিজের অর্থ থেকে তিন কোটি ডলার বিনিয়োগ করে নিও নামে একটি নতুন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর কর্মমঞ্চ তৈরি করছেন। তাঁর বিশ্বাস, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে পুরোনো কর্মক্ষেত্রের সফটওয়্যারে শুধু কথোপকথনভিত্তিক সুবিধা যোগ করলেই হবে না; বরং পুরো ব্যবস্থাকে শুরু থেকে নতুনভাবে তৈরি করতে হবে। গত দুই দশকে তিনি ডাইরেক্টি, রেডিক্স, টাইটান এবং ব্যাংকিং সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান জেটাসহ একাধিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন, যেগুলোর বেশির ভাগই শুরুতে নিজের অর্থায়নে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। নিওর ক্ষেত্রেও তিনি একই পথ অনুসরণ করছেন।

মাইক্রোসফট অফিসের বিকল্প কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মঞ্চ আনছে নিও
মাইক্রোসফট অফিসের বিকল্প কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মঞ্চ আনছে নিও

তুরাখিয়ার মতে, যেমন নকিয়ার যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে আইফোন তৈরি করা সম্ভব নয়, তেমনি পুরোনো কর্মক্ষেত্রের সফটওয়্যারে সামান্য পরিবর্তন এনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগের উপযোগী ব্যবস্থা তৈরি করা যাবে না। চলতি বছরের এপ্রিল থেকে অভ্যন্তরীণভাবে ব্যবহৃত হওয়া নিও একই মঞ্চে প্রকল্প ব্যবস্থাপনা, নথি, তথ্য সংরক্ষণ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সুবিধা একত্র করেছে। এর লক্ষ্য হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে শুধু সহকারী হিসেবে নয়, বরং প্রতিদিনের কাজের সক্রিয় অংশীদার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।

তিনি আরও জানান, নিও কোনো একক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল নয়। ফলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থা ব্যবহার করতে পারবে। তুরাখিয়ার ভাষ্য, কর্মক্ষেত্রের সফটওয়্যারের বাজারে একক কোনো প্রতিষ্ঠানের আধিপত্য তৈরি হয় না। তাই বিশ্ববাজারের মাত্র দুই থেকে পাঁচ শতাংশ অংশীদারিত্ব পেলেও তা তাঁর আগের যেকোনো প্রতিষ্ঠানের চেয়ে বড় সাফল্য হবে।

বর্তমানে তুরাখিয়ার অন্যান্য প্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে জেটায়, নিও ব্যবহার করা হচ্ছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে প্রযুক্তি, পরামর্শসেবা এবং পেশাদার সেবাখাতের মাঝারি আকারের প্রতিষ্ঠানের জন্য এটি উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। বেঙ্গালুরুভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে প্রায় ৪৫ জন কর্মী কাজ করছেন, যার মধ্যে ১৮ জন প্রকৌশলী। বছরের শেষ নাগাদ কর্মীর সংখ্যা প্রায় ১০০-তে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে অধিকাংশ নতুন নিয়োগ হবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সফটওয়্যার প্রকৌশল বিভাগে।

Related Articles

Back to top button