এআই খাতে ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের চ্যালেঞ্জ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে বিপুল বিনিয়োগের বিপরীতে সেই অর্থ আদৌ ফিরে আসবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। প্রযুক্তি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান সিকোইয়ার অংশীদার ডেভিড কাহনের বিশ্লেষণ বলছে, চলতি বছরে এআই অবকাঠামোতে মোট বিনিয়োগ ১ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। এই বিনিয়োগের যৌক্তিকতা প্রমাণ করতে শিল্পখাতকে প্রায় ৩ ট্রিলিয়ন ডলার আয় করতে হবে।

২০২৩ সালে এনভিডিয়ার গ্রাফিকস প্রসেসর বিক্রির হিসাব বিশ্লেষণ করে কাহন প্রথম এআই অবকাঠামো বিনিয়োগের বিপরীতে সম্ভাব্য আয়ের হিসাব তুলে ধরেন। বর্তমানে ডেটা সেন্টার নির্মাণ, মেমোরি চিপ এবং নতুন ধরনের প্রসেসরের বাড়তি ব্যয়ের কারণে প্রয়োজনীয় আয়ের পরিমাণ আরও বেড়েছে বলে তিনি মনে করছেন।
অন্যদিকে ওপেনএআই ও অ্যানথ্রপিকের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর আয় দ্রুত বাড়লেও বিশ্লেষকদের মতে, ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যে পৌঁছাতে এখনো অনেক পথ বাকি।
অ্যাপোলো গ্লোবাল ম্যানেজমেন্টের প্রধান অর্থনীতিবিদ টরস্টেন স্লক সতর্ক করে বলেছেন, গুগল, মেটা, মাইক্রোসফট ও অ্যামাজনের মতো বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ২০২৮ সালের মধ্যে এআই বিনিয়োগ থেকে বড় ধরনের আর্থিক লাভের আশা করছে। কিন্তু প্রত্যাশিত আয় না এলে প্রযুক্তি খাতের পাশাপাশি বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমানে অনেক প্রতিষ্ঠান ব্যয় কমাতে তুলনামূলক সাশ্রয়ী উন্মুক্ত ভাষা মডেলের দিকে ঝুঁকছে। ফলে ব্যয় কমলেও বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রত্যাশিত আয় অর্জন কঠিন হয়ে যেতে পারে।
